সকল লেখক

লেখকসূচি

প্যারালালের বিভিন্ন পরিসরে এ পর্যন্ত যাঁরা লিখেছেন, তাঁদের সবার নাম ও পরিচিতি একত্রে এই তালিকায় পাবেন।

২৭ জন

অদিতি ব্যানার্জীের প্রতিকৃতি

অদিতি ব্যানার্জী

হুগলী মহসীন কলেজের অধ্যাপক। প্রথমে প্রেসিডেন্সি কলেজ ও পরে প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়াশোনা ও গবেষণা। প্রাবন্ধিক। বই পড়তে ও ভ্রমণ করতে ভালোবাসেন।

২টি লেখা

অদিতি রায়ের প্রতিকৃতি

অদিতি রায়

অদিতি রায়। জন্ম ১ মে, ১৯৯৭, বারুইপুরে। ঠাকুরদা বলরাম রায় ছিলেন লেখক। তাঁকে চোখে না দেখলেও বাড়ির সাহিত্যিক পরিমণ্ডলে অদিতির কবিতা লেখা শুরু হয় পাঁচবছর বয়স থেকে। বাংলা ভাষা ও সাহিত্য নিয়ে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়াশোনা করে বর্তমানে তিনি সেখানেই গবেষণারত। স্নাতক স্তরে গোল্ড মেডালিস্ট অদিতির লেখালেখি বিভিন্ন লিট্ল ম্যাগাজিন ছাড়াও ‘এই সময়’, ‘দেশ’, ‘আনন্দমেলা’, ‘মাসিক কৃত্তিবাস’-এ প্রকাশিত হয়েছে।

১টি লেখা

অভীক ঘোষের প্রতিকৃতি

অভীক ঘোষ

কলকাতায় শৈশব কাটিয়ে ষষ্ঠ শ্রেণিতে শান্তিনিকেতনের পাঠভবনে আবাসিক ছাত্র হিসেবে যোগদান। এরপর স্নাতক স্তরের তিন বছর প্রেসিডেন্সি কলেজ আর কর্মসূত্রে বছর-খানেক কলকাতার জীবন বাদ দিলে বাকি সময় সম্পূর্ণই শান্তিনিকেতনে। পাঠভবনের আবাসিক ছাত্রদের গৃহাধ্যক্ষ, শিক্ষাসত্র ও পাঠভবন—শান্তিনিকেতনের দুই স্কুলেরই ভূগোল-শিক্ষক অভীক ঘোষ এখন অবসর জীবনে ‘চিলড্রেন্স থিয়েটার অ্যাকাডেমি শান্তিনিকেতন’-এ বাচ্চাদের সঙ্গে হৈচৈ করেন, খেলেডাঙ্গা গ্রামের বাচ্চাদের পড়ান আর সব বয়সী বন্ধুদের সঙ্গে গান গেয়ে আনন্দের ধারা সকলের সঙ্গে ভাগ করে নেন।

১টি লেখা

অম্লান রায়ের প্রতিকৃতি

অম্লান রায়

কবির পরিচয় তার কবিতা হলেও ব্যক্তিগত জীবনের দর্পণ‌ও কবিতা হতে পারে। সেই জীবনটার‌ই একটা অংশে বর্তমানে ধ্রুবচাঁদ হালদার কলেজে স্নাতক স্তরের চতুর্থ বর্ষে বাণিজ্য নিয়ে পড়াশোনা। এক‌ই সঙ্গে রয়েছে কয়েকটি সাংস্কৃতিক গোষ্ঠীর সাহচর্য। নাটক, গান, লেখা এই তিনের সংমিশ্রণে একটা বিলাসবহুল জীবন‌ই কাঙ্ক্ষিত।

১টি লেখা

অরিজিৎ চক্রবর্তীের প্রতিকৃতি

অরিজিৎ চক্রবর্তী

প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে ভূতত্ত্বে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর। কিছুদিন অধ্যাপনা করেছেন, বর্তমানে রাজনৈতিক কর্মী। সাংস্কৃতিক আন্দোলন ও বিজ্ঞান সচেতনতা বৃদ্ধির আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত। লিটল ম্যাগাজিনে লেখেন, বিভিন্ন ছোট পত্রিকায় সংগঠকের ভূমিকা পালন করেছেন নানা সময়। প্যারালালের অন্যতম সংগঠক।

১টি লেখা

অরিন্দম চক্রবর্তীের প্রতিকৃতি

অরিন্দম চক্রবর্তী

পদার্থবিদ্যার অধ্যাপক এবং গবেষক। বর্তমানে গাণিতিক পদার্থবিজ্ঞানে (space and algebraic structures of classical and quantum systems) কাজ করেন। এছাড়াও বিজ্ঞানের ইতিহাস ও দর্শন, ইতিহাস ও রাজনীতি বিষয়ক লেখালিখি করে থাকেন।

১টি লেখা

অশোক মুখোপাধ্যায়ের প্রতিকৃতি

অশোক মুখোপাধ্যায়

অশোক মুখোপাধ্যায় (১৯৫৪-) দীর্ঘদিনের একজন মার্ক্সবাদী সার্বক্ষণিক কর্মী (১৯৭০-২০০৭)। সক্রিয় রাজনীতির মঞ্চ ছেড়ে সরে এসে এখন তিনি বিজ্ঞান আন্দোলন ও মানবাধিকার আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত এবং সেই সঙ্গে মার্ক্সীয় দর্শনের ভিত্তিতে বিজ্ঞানের ইতিহাস সমাজতত্ত্ব ও দর্শনের উপর পড়াশুনা ও অপ্রাতিষ্ঠানিক গবেষণায় মগ্ন। বিভিন্ন বাংলা ও ইংরাজি পত্রপত্রিকা এবং পোর্টালে তিনি নিয়মিত লেখালেখি করেন।

গ্রন্থকারও

আবীর করের প্রতিকৃতি

আবীর কর

আবীর কর বিশ্বভারতী-র বাংলা বিভাগের প্রাক্তন ছাত্র ও গবেষক। বর্তমানে ঝাড়গ্রামের জামবনি বাণী বিদ্যাপীঠের শিক্ষক। তাঁর প্রকাশিত গ্রন্থ: ‘সহজ পাঠ : বই-চিত্র’, ‘ভোটের রঙ্গ-রসিকতা’। সম্পাদিত বই : ‘অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুরের চিত্রাক্ষর ও অন্যান্য’, ‘উনিশ শতকের বিস্মৃত বাংলা প্রাইমার’, ‘সহজ রচনাশিক্ষা’। পছন্দের বিষয় রবীন্দ্রনাথ, পুরনো পত্রপত্রিকা।

১টি লেখা

তন্ময় ভট্টাচার্যের প্রতিকৃতি

তন্ময় ভট্টাচার্য

জন্ম ১৯৯৪, বেলঘরিয়ায়। প্রকাশিত কবিতার বই—‘দীপাবলি নাকি শবযাত্রা’ (২০১৮), ‘বেইমানির যা-কিছু চিরাগ’ (২০১৯), ‘বাংলার ব্রত’ (২০২২), ‘অবাঙ্‌মনসগোচর’ (২০২৩), ‘পা কাটিয়া দিবার শতেক খেলাচ্ছল' (২০২৫)

১টি লেখা

তন্ময় সিংহ মহাপাত্রের প্রতিকৃতি

তন্ময় সিংহ মহাপাত্র

তন্ময় সিংহ মহাপাত্র বিশ্বভারতী-র প্রাক্তন ছাত্র এবং দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের আধুনিক ভারতীয় ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের প্রাক্তন গবেষক। বাংলা ভাষা ও সাহিত্য পড়িয়ে জীবিকানির্বাহ করেন। প্যারালালের সঙ্গে যুক্ত।

২টি লেখা

দীপক বিশ্বাসের প্রতিকৃতি

দীপক বিশ্বাস

মায়ের হিসাব মতো, ১৩৫৩ বঙ্গাব্দের বৈশাখে জন্ম। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পাল্টে গিয়ে হয়েছে ১৬ই আগস্ট, ১৯৫৬। এই ইংরেজী জন্মতারিখটাই সরকারি খাতাপত্রে গৃহীত হয়েছে এবং সর্বত্র মান্যতা পেয়েছে। জন্ম একেবারে অজগাঁয়ে, মুর্শিদাবাদ জেলার নওদা থানার সব্দরনগর গ্রামে। সেটা লেখকের পক্ষে ভালো হয়েছে বলে তিনি মনে করেন। তাঁকে প্রচুর শিখিয়েছে তাঁর গাঁ। বাবার প্রশ্রয়ে রাত জেগে আলকাপ, বোলান, গ্রামীণ যাত্রা, কবিগান, ঝাপান গান শুনেছেন, দেখেছেন। টহান গান, রাখাল ছেলের গান, মাঝি মাল্লার গান, পীরের গান, সারিগান, ভাসান গান, কাহানী ইত্যাদি প্রাত্যহিক সঙ্গী ছিল। এই গাঁ-ই তাঁকে শিক্ষার আলো দিয়েছে, চর্চায় নিয়ে এসেছে। মাকে লখিন্দরের মৃত্যুতে কান্নার সাথে সাথে জাবি গানে হাসান-হোসেনের মৃত্যুতেও আঁচল দিয়ে চোখ মুছতে দেখেছেন লেখক। পাড়ায় লক্ষ্মীপুজোর আসরে রূপবান, সাগরভাষা যাত্রাও হতে দেখেছেন। এসব শিক্ষাই তাঁর পাওয়া। তিনি লিপিবদ্ধ করেছেন মাত্র‌। প্রায়োজনিক কারণে তিন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে নাটক, সাংবাদিকতা এবং গ্রন্থাগার বিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর ডিগ্রী নিয়েছেন। স্বচ্ছন্দে জীবন কাটাতে বিদ্যালয়ের গ্রন্থাগারিকের চাকুরি নিয়েছিলেন। এখন অবসরপ্রাপ্ত। ভালোবেসে যুক্ত আছেন মুক্ত থিয়েটার চর্চায়। লোকশিল্পীদের কাছে থাকতে 'সারা বাংলা লোকশিল্পী সংসদ'-এর কর্মী হয়েছেন। তাঁদের কাছে শিখে চলেছেন।

১টি লেখা

গ্রন্থকারও

দেবাশিস মুখোপাধ্যায়ের প্রতিকৃতি

দেবাশিস মুখোপাধ্যায়

পদার্থবিজ্ঞানের ছাত্র ছিলেন। নগরের কোলাহল থেকে দূরে প্রকৃতির মধ্যে থাকতে পছন্দ করেন এই পরিবেশকর্মী। গ্রামের দরিদ্র মানুষের মধ্যে জীবনমুখী শিক্ষাবিস্তারের কাজেও নিয়োজিত রয়েছেন তিনি। তাঁর রচিত গ্রন্থগুলি হল—‘ক্লাসরুমের রূপকথা: জীবন বিজ্ঞান ও পরিবেশ ভ্রমণ’, ‘স্বাস্থ্যের সন্ধানে অথবা অসুস্থতার খোঁজে’ এবং ‘চিকিৎসার ধূসর জগতে: মন, সমাজ, কর্পোরেট’।

৪টি লেখা

দেবীশঙ্কর মিদ্যাের প্রতিকৃতি

দেবীশঙ্কর মিদ্যা

দক্ষিণ ২৪ পরগনা তথা সুন্দরবন এলাকার লোক-প্রত্নতত্ত্ব নিয়ে গবেষণায় অনেকটা পথ পেরিয়ে এসেছেন দেবীশঙ্কর মিদ্যা। ফলস্বরূপ তাঁর আবিষ্কৃত নতুন নতুন প্রত্নস্থল জেলার ইতিহাসকে করেছে বর্ণময় ও সমৃদ্ধ। উপকূলীয় প্রত্নতত্ত্ব গবেষণায় মথুরাপুর থানার সরবেড়িয়া গ্রামে নিজ বসতবাটীতে গড়ে তোলা বিপুল প্রত্নসামগ্রীতে সমৃদ্ধ তাঁর ‘সুন্দরবন প্রত্নগবেষণা কেন্দ্র ও সংগ্রহশালা’ আজ দেশ-বিদেশের প্রথিতযশা ইতিহাসবিদ ও গবেষকদের অন্যতম গন্তব্যস্থলে পরিণত হয়েছে। আঞ্চলিক ইতিহাস উদ্ধারে পিয়ালি নদী অববাহিকায় ধোসা ও তিলপি, হুগলী নদী তীরবর্তী দেউলপোতা ও মণি নদীর উপকূলে কঙ্কণদীঘি উৎখননকার্যে সক্রিয় অংশগ্রহণে তিনি প্রাজ্ঞতার যথার্থ পরিচয় রেখেছেন। ইতিমধ্যে তাঁর বহুমূল্যবান অসংখ্য প্রবন্ধ বিভিন্ন সংকলন গ্রন্থ ও পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত হয়ে অনুসন্ধিৎসু মনে বিপুল সাড়া জাগিয়েছে। বহু সেমিনারে তাঁর যুক্তিপূর্ণ উপস্থাপনা ঐতিহাসিক পরিমণ্ডলে প্রভূত প্রশংসিত হয়েছে। তাঁর প্রকাশিত গ্রন্থ ‘সুন্দরবনের শক্তিপীঠ ছত্রভোগ’, প্যারালাল প্রেস প্রকাশিত ‘জটার দেউল: প্রত্নতত্ত্ব ও লোককথা’ জেলার বিস্মৃত ইতিহাসের গৌরবময় অধ্যায় উন্মোচন করেছে।

১টি লেখা

গ্রন্থকারও

নার্গিস খাতুনের প্রতিকৃতি

নার্গিস খাতুন

পেশায় একজন হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক। সল্টলেকের ঐতিহ্যবাহী ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ হোমিওপ্যাথি থেকে বি.এইচ.এম.এস ডিগ্রি সম্পূর্ণ করেছেন। তবে প্রেসক্রিপশন করার পাশাপাশি সাহিত্যচর্চাও তাঁর ভীষণ পছন্দের। বাস্তবে খুব একটা অভিব্যক্তিপ্রবণ নন, কিন্তু লেখালেখির জগৎ সম্পর্কে তাঁর বক্তব্য, “এ একটা খালি ক্যানভাসের মতো, যেখানে শব্দের ছোঁয়ায় নিজের ভাবনা আর দৃষ্টিভঙ্গি ফুটিয়ে তোলা যায়। নতুন কিছু শেখার আগ্রহ কখনও ফুরোয় না, আর সেই বিষয়গুলোকেই লেখার মধ্য দিয়ে তুলে ধরতে চাই।”

৩টি লেখা

নিলয়ের প্রতিকৃতি

নিলয়

১টি লেখা

প্রণবকান্তি বসুের প্রতিকৃতি

প্রণবকান্তি বসু

সত্তরের দশকে প্রেসিডেন্সি কলেজ এবং কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতির পাঠ। সেই সময় থেকেই, বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত, যুক্ত ছিলেন ‘অন্য অর্থ’ পত্রিকা গোষ্ঠীর সঙ্গে। দীর্ঘকাল পড়িয়েছেন আশুতোষ কলেজ এবং বিশ্বভারতীতে। মার্কসবাদের নিবিড় পাঠক প্রণবকান্তি বসু বাংলা, ইংরেজি দুই ভাষাতেই বহু সাময়িক পত্রে প্রবন্ধ লিখে আসছেন দীর্ঘদিন ধরে। তাঁর লেখা একাধিক গ্রন্থের মধ্যে আছে ‘সামন্ততন্ত্র: উত্তর আধুনিকতার চোখে’, ‘Globalisation—An Anti Text: A Local View’ প্রভৃতি।

১টি লেখা

বাপ্পাদিত্যের প্রতিকৃতি

বাপ্পাদিত্য

প্রকাশনা কর্মী।

১টি লেখা

ব্রতীন সরকারের প্রতিকৃতি

ব্রতীন সরকার

কবি। তাঁর প্রকাশিত বইগুলি হল—‘বৃষ্টিতে ওরিগ্যামির সামপান’, ‘বৃষ্টিতপা হে’, ‘শিকরের ঘরবাড়ি’, ‘জেব্রাক্রসিং এ দাঁড়িয়ে’, ‘রৌদ্র জ্বলুক হাতে’, ‘আমি শুনছি কাস্তে’, ‘আমাকে নাও, গাছ কর’।

১টি লেখা

মৃণ্ময় হোতাের প্রতিকৃতি

মৃণ্ময় হোতা

জন্ম ১৯৬৬ সালে ঝাড়গ্রামের চন্দ্রী গ্রামে। স্কুলের গণ্ডী ছাড়িয়ে মেদিনীপুরে পড়তে যাওয়া। কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে গণিত নিয়ে পড়া সাঙ্গ করে আবহাওয়া বিজ্ঞানে এম টেকে ভর্তি হন কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে। সে পড়া অসমাপ্ত রেখেই শিক্ষকতার চাকরি নিয়ে ঝাড়গ্রামে ফিরে আসা ১৯৯৩ সালে। চাকরিরত অবস্থায় ২০০৫ সালে পিএইচ.ডি করেন তাত্ত্বিক কম্পিউটার-বিজ্ঞানে। প্রধান শিক্ষক হন ২০০৩ সালে। ৩০ এপ্রিল ২০২৬ সালে দহিজুড়ি মহাত্মা বিদ্যাপীঠ থেকে অবসর নিয়েছেন। পেশার সঙ্গে গণিত জড়িয়ে থাকলেও ছেলেবেলা থেকেই সাহিত্য-দর্শন-ইতিহাস-অর্থনীতি-শিল্পকলার মত নানান বিষয়ের প্রতি ছিল প্রবল টান। গনিত ছাড়াও মহাকাশ, পরিবেশ, সাহিত্য ও ঝাড়গ্রামের ইতিহাস সহ বিবিধ বিষয়ে তাঁর শতাধিক প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে। নেশা বই পড়া, ছোটদের বিজ্ঞান সচেতন করা আর সুযোগ পেলেই ভ্রমণে বেরিয়ে পড়া।

১টি লেখা

রাজেন্দ্রপ্রসাদ দেের প্রতিকৃতি

রাজেন্দ্রপ্রসাদ দে

জন্ম ৭ সেপ্টেম্বর ১৯৬৯। বাঁকুড়া জেলার খাতড়ায়, মাতুলালয়ে। পৈতৃক নিবাস ঝাড়গ্রাম। বাবা বনমালী দে। মা ললিতারানী দে। বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উদ্ভিদবিদ্যায় স্বর্ণপদক-সহ স্নাতকোত্তর ও পিএইচ. ডি ডিগ্রি লাভ করেন। সরকারি কলেজে অধ্যাপনা-সূত্রে ঝাড়গ্রাম রাজ কলেজ, কোচবিহার আচার্য ব্রজেন্দ্রনাথ শীল কলেজ ও গভর্নমেন্ট জেনারেল ডিগ্রি কলেজ, মোহনপুরে পড়িয়েছেন। বর্তমানে ঝাড়গ্রামের রানি ইন্দিরা দেবী গভর্নমেন্ট গার্লস’ কলেজে অধ্যাপনা করেন। হাসঃ ছদ্মনামে সাহিত্যচর্চা করেন। বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় নিয়মিত গল্প, নাটক, প্রবন্ধ, কবিতা প্রভৃতি লেখেন। সমস্ত ঘটনার মধ্যেই হাস্যরস সৃষ্টির একটা প্রচেষ্টা তাঁর রচনায় দেখা যায়। উল্লেখযোগ্য নাটক: ‘অশ্বমেধ’, ‘বরযাত্রী’ ও ‘চাঁদাপাটি’, ‘চাঁদামামা’। গল্পের মধ্যে ‘আড়াইপ্যাঁচ’, ‘চার্বাক’, ‘ব্ল্যাকহোল’, ‘লাল-নীল মাছ’, ‘বৃহদারণ্যক’ উল্লেখযোগ্য। লিখেছেন ‘বাংলার স্থাননামে উদ্ভিদ’, ‘কৃষ্ণচূড়া-রাধাচূড়া সমস্যা’, ‘প্রাচীন সাহিত্যে হাস্যরস’, ‘ঈশ্বর, প্রকৃতি ও জীব’ নামে বিচিত্র বিষয়ের প্রবন্ধ। সাহিত্যচর্চার পাশাপাশি বন্যপ্রাণের আলোক-চিত্রায়ণ, জীব-বৈচিত্র্য ও উদ্ভিদ-সংস্কৃতি বিষয়ক গবেষণা কর্মে নিযুক্ত। প্রকাশিত গ্রন্থ: ‘হাসনাটকচক্র ১’ (২০২২) ও ‘হাসনাটকচক্র ২’ (২০২৪)। Edited book (With Dr. D. Sinha): ‘Plant—A Valuable Resource of Sustainable Agriculture, Food and Medicine’ (2022).

১টি লেখা

রুদ্র কিংশুকের প্রতিকৃতি

রুদ্র কিংশুক

রুদ্র কিংশুক মূলত কবি। ইংরেজি ও বাংলা দুই ভাষাতেই মৌলিক কবিতা লেখেন, লেখেন গল্পও। বাংলা ও ইংরেজিতে লিখেছেন অনেকগুলি প্রবন্ধের বইও। লেখালেখির স্বীকৃতিস্বরূপ পেয়েছেন ভারত সরকারের মানব সম্পদ উন্নয়ন দপ্তর কর্তৃক প্রদত্ত ‘জুনিয়র ফেলোশিপ ইন লিটারেচার’ (১৯৯৭–৯৯)। বিদ্যায়তনিক লেখাপড়ার বাইরে তাঁর গভীর আগ্রহের বিষয় পাখি ও পাখির বই।

১টি লেখা

শুভাশিসের প্রতিকৃতি

শুভাশিস

জন্ম ১৯৮৭ সালে বীরভূমের বিখ্যাত জনপদ দুবরাজপুরে, জেলার সদর শহর সিউড়িতে বেড়ে ওঠা; বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় অধীন সিউড়ি বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে গণিতে স্নাতক, স্নাতক শেষ করেই শিক্ষক হিসেবে মাজিগ্রাম উচ্চ বিদ্যালয় (উ. মা.) যোগদান, পরবর্তীতে কর্মরত অবস্থায় বিশুদ্ধ গণিতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন। বিগত ১২ বছরের বেশি সময় ধরে বিদ্যালয়ে বিজ্ঞান ও গণিত শিক্ষার পাশাপাশি জেলার বিভিন্ন প্রান্তে শিক্ষার্থীদের মধ্যে হাতে-কলমে বিজ্ঞান সহ নানা আঙ্গিকে শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞানমনস্কতার কাজে যুক্ত। নিয়মিত বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় গণিত ও বিজ্ঞান বিষয় লেখালেখি করেন। প্যারালাল প্রকাশিত জনপ্রিয় বই ‘বিজ্ঞান বিশ্বে এদেশের মেয়েরা’-তেও লিখেছেন। শিশু ও কিশোর জন্য সোশ্যাল মিডিয়ায় ধারাবাহিক লেখা ‘আমি অগ্নিজা বলছি’ পাঠক মহলে বেশ জনপ্রিয়।

গ্রন্থকারও

শুভাশিস মুখোপাধ্যায়

শোভনের প্রতিকৃতি

শোভন

একটি আলোকচিত্র, শিক্ষাগত যোগ্যতা, পেশা কিংবা ঠিকানা দিয়ে কবিকে চেনা কঠিন। এই বর্ণনা হতে পারে তাঁর ব্যক্তিসত্তার পরিচায়ক। কিন্তু কবিসত্তার পরিচিতি তাঁর বইয়ের দুমলাটের মাঝখানের সাদা পৃষ্ঠা গুলোর উপর মুদ্রিত কালো অক্ষরগুলির মধ্যে সন্নিবিষ্ট। কবির পরিচয় তাঁর কবিতায়।

১টি লেখা

গ্রন্থকারও

সত্যসাধন মণ্ডলের প্রতিকৃতি

সত্যসাধন মণ্ডল

বিশ্বভারতীর প্রাক্তনী। লেখার বিষয় মূলত কবিতা। পত্র-পত্রিকা ও ফেসবুকে নিয়মিত লেখালেখি করেন। ইতিপূর্বে উর্ণপত্র থেকে প্রকাশিত হয়েছে ‘ঈশ্বরের জন্য লেখা কবিতা’ নামে একটি কাব্যগ্রন্থ। তাঁর ঘোষণা অনুসারে—মানুষ আর সাপে ভয় পান, প্রাতিষ্ঠানিক ভূত-ভগবানের বিষয়টি বুঝতে পারেন না এবং উপনিষদ মানেন।

৪টি লেখা

সমান্তর সম্পাদক

১টি লেখা

সমাপ্তি দিশাের প্রতিকৃতি

সমাপ্তি দিশা

সমাপ্তি দিশা, এক দ্বৈত ভূমিকা পালনকারিণী, রণরঙ্গিণী মায়ের আদুরে মেয়ে। প্রথমে পশ্চিমবঙ্গের নদীয়া জেলার রামকৃষ্ণ সমাজ মিশন এম. বি. বিদ্যাপীঠে ও পরে আল-আমীন মিশনে বিদ্যালয় জীবন অতিবাহিত। তারপর কলকাতার আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শুশ্রুষা বিভাগে স্নাতক। বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের অধীনে কমিউনিটি হেলথ অফিসার হিসেবে কর্মরত। প্রথম স্বরচিত কবিতার আত্মপ্রকাশ স্কুল ম্যাগাজিনে। প্যারালাল, কবি কলম ও হাতেখড়ি পত্রিকার সঙ্গে যুক্ত। কখনো-সখনো মাথার ভিতরের অগোছালো কল্পনাগুলি প্রিফ্রন্টাল কর্টেক্সে এসে প্যারাইটাল লোবের কাব্যরসে জারিত হয়ে লিম্বিক সিস্টেমে আবেগের সঙ্গে যৌথতায় ছন্দোবদ্ধ প্রতিচ্ছবি প্রস্তুত করে যা মসীর স্পর্শে স্বতঃই কবিতা হয়ে যায় অগোচরে।

১টি লেখা