রাজেন্দ্রপ্রসাদ দেের প্রতিকৃতি

রাজেন্দ্রপ্রসাদ দে

জন্ম ৭ সেপ্টেম্বর ১৯৬৯। বাঁকুড়া জেলার খাতড়ায়, মাতুলালয়ে। পৈতৃক নিবাস ঝাড়গ্রাম। বাবা বনমালী দে। মা ললিতারানী দে। বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উদ্ভিদবিদ্যায় স্বর্ণপদক-সহ স্নাতকোত্তর ও পিএইচ. ডি ডিগ্রি লাভ করেন। সরকারি কলেজে অধ্যাপনা-সূত্রে ঝাড়গ্রাম রাজ কলেজ, কোচবিহার আচার্য ব্রজেন্দ্রনাথ শীল কলেজ ও গভর্নমেন্ট জেনারেল ডিগ্রি কলেজ, মোহনপুরে পড়িয়েছেন। বর্তমানে ঝাড়গ্রামের রানি ইন্দিরা দেবী গভর্নমেন্ট গার্লস’ কলেজে অধ্যাপনা করেন। হাসঃ ছদ্মনামে সাহিত্যচর্চা করেন। বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় নিয়মিত গল্প, নাটক, প্রবন্ধ, কবিতা প্রভৃতি লেখেন। সমস্ত ঘটনার মধ্যেই হাস্যরস সৃষ্টির একটা প্রচেষ্টা তাঁর রচনায় দেখা যায়। উল্লেখযোগ্য নাটক: ‘অশ্বমেধ’, ‘বরযাত্রী’ ও ‘চাঁদাপাটি’, ‘চাঁদামামা’। গল্পের মধ্যে ‘আড়াইপ্যাঁচ’, ‘চার্বাক’, ‘ব্ল্যাকহোল’, ‘লাল-নীল মাছ’, ‘বৃহদারণ্যক’ উল্লেখযোগ্য। লিখেছেন ‘বাংলার স্থাননামে উদ্ভিদ’, ‘কৃষ্ণচূড়া-রাধাচূড়া সমস্যা’, ‘প্রাচীন সাহিত্যে হাস্যরস’, ‘ঈশ্বর, প্রকৃতি ও জীব’ নামে বিচিত্র বিষয়ের প্রবন্ধ। সাহিত্যচর্চার পাশাপাশি বন্যপ্রাণের আলোক-চিত্রায়ণ, জীব-বৈচিত্র্য ও উদ্ভিদ-সংস্কৃতি বিষয়ক গবেষণা কর্মে নিযুক্ত। প্রকাশিত গ্রন্থ: ‘হাসনাটকচক্র ১’ (২০২২) ও ‘হাসনাটকচক্র ২’ (২০২৪)। Edited book (With Dr. D. Sinha): ‘Plant—A Valuable Resource of Sustainable Agriculture, Food and Medicine’ (2022).

১টি লেখাশিল্পকর্ম: ১টি লেখা
শেয়ার করুন

তার লেখা

সাহিত্য, সংস্কৃত অভিধান, প্রাচীন নিঘণ্টু ও উদ্ভিদবিদ্যার সূত্র মিলিয়ে হারিয়ে-যাওয়া তমাল বৃক্ষের খোঁজ করেছে এই লেখা।সমান্তর · সংখ্যা ১

গবেষণামূলক প্রবন্ধ

তমাল-রহস্য

আমাদের প্রাচীন সাহিত্যে একসময় তমালের ছিল উজ্জ্বল উপস্থিতি—রামায়ণ, মহাভারত থেকে কালিদাস, জয়দেব, শ্রীহর্ষ পর্যন্ত। তার কালো-সবুজ পাতা, সুগন্ধ, কালো রস আর রাধা-কৃষ্ণের লীলার সঙ্গে জড়িয়ে থাকা স্মৃতি তমালকে করে তুলেছিল এক বিশেষ পবিত্র বৃক্ষ। অথচ আজ সেই তমালই ঘিরেই ঘনিয়ে উঠেছে এক রহস্য—কোন গাছ ছিল প্রাচীন সাহিত্যের সেই তমাল? সাহিত্য, সংস্কৃত অভিধান, প্রাচীন নিঘণ্টু ও উদ্ভিদবিদ্যার সূত্র মিলিয়ে সেই হারিয়ে-যাওয়া বৃক্ষের খোঁজ করেছে এই লেখা।

রাজেন্দ্রপ্রসাদ দে১২ মিনিট

শিল্পকর্মের লেখা

সাহিত্য, সংস্কৃত অভিধান, প্রাচীন নিঘণ্টু ও উদ্ভিদবিদ্যার সূত্র মিলিয়ে হারিয়ে-যাওয়া তমাল বৃক্ষের খোঁজ করেছে এই লেখা।সমান্তর · সংখ্যা ১

গবেষণামূলক প্রবন্ধ

তমাল-রহস্য

আমাদের প্রাচীন সাহিত্যে একসময় তমালের ছিল উজ্জ্বল উপস্থিতি—রামায়ণ, মহাভারত থেকে কালিদাস, জয়দেব, শ্রীহর্ষ পর্যন্ত। তার কালো-সবুজ পাতা, সুগন্ধ, কালো রস আর রাধা-কৃষ্ণের লীলার সঙ্গে জড়িয়ে থাকা স্মৃতি তমালকে করে তুলেছিল এক বিশেষ পবিত্র বৃক্ষ। অথচ আজ সেই তমালই ঘিরেই ঘনিয়ে উঠেছে এক রহস্য—কোন গাছ ছিল প্রাচীন সাহিত্যের সেই তমাল? সাহিত্য, সংস্কৃত অভিধান, প্রাচীন নিঘণ্টু ও উদ্ভিদবিদ্যার সূত্র মিলিয়ে সেই হারিয়ে-যাওয়া বৃক্ষের খোঁজ করেছে এই লেখা।

রাজেন্দ্রপ্রসাদ দে১২ মিনিট