সত্যসাধন মণ্ডলের প্রতিকৃতি

সত্যসাধন মণ্ডল

বিশ্বভারতীর প্রাক্তনী। লেখার বিষয় মূলত কবিতা। পত্র-পত্রিকা ও ফেসবুকে নিয়মিত লেখালেখি করেন। ইতিপূর্বে উর্ণপত্র থেকে প্রকাশিত হয়েছে ‘ঈশ্বরের জন্য লেখা কবিতা’ নামে একটি কাব্যগ্রন্থ। তাঁর ঘোষণা অনুসারে—মানুষ আর সাপে ভয় পান, প্রাতিষ্ঠানিক ভূত-ভগবানের বিষয়টি বুঝতে পারেন না এবং উপনিষদ মানেন।

৪টি লেখা
শেয়ার করুন

তার লেখা

বিষ্ণুপুরের তিনশো বছরের পুরোনো বাড়িতে একাকী কর্নেল শশাঙ্কবাবুর শোবার ঘরের মাঝখান দিয়ে বয়ে চলা এক জীবন্ত নদীর আশ্চর্য গল্প।সমান্তর · সংখ্যা ২

গল্পস্বল্প

কর্নেলের ঘরে যে নদীটা থাকত

বিষ্ণুপুরের তিনশো বছরের পুরোনো বাড়িতে একাকী কর্নেল শশাঙ্কবাবুর শোবার ঘরের মাঝখান দিয়ে বয়ে যেত এক জীবন্ত নদী। সেই নদীই ছিল তাঁর নিঃসঙ্গ জীবনের আশ্রয়। কিন্তু এক জন্মদিনে নদী তাঁর অতীতকে বুকে নিয়ে মিলিয়ে গেলে স্তব্ধ হয়ে যায় কর্নেলের ঘর। হারানো নদীটকে ফিরে পাওয়ার তীব্র জেদে শুরু হয় খনন।

সত্যসাধন মণ্ডল৪ মিনিট
কাগজের মতো সহজে ছিঁড়ে যাওয়া সম্পর্কের ভিড়ে, বুকের ভেতরে সামান্য কাপড় বাঁচিয়ে রাখার এক মায়াবী আখ্যান ‘বোতাম’।সমান্তর · সংখ্যা ১

গল্পস্বল্প

বোতাম

সবকিছু যখন এক ক্লিকে বদলে যায়, তখন কিছু মানুষ নিঃশব্দে পাহারা দেয় তাদের চিরপুরাতন বিশ্বাস। সুতো আর মায়া দিয়ে পার্বতীদি কী বুনে চলেছেন দিনরাত? কাগজের মতো সহজে ছিঁড়ে যাওয়া সম্পর্কের ভিড়ে, বুকের ভেতরে সামান্য কাপড় বাঁচিয়ে রাখার এক মায়াবী আখ্যান ‘বোতাম’।

সত্যসাধন মণ্ডল২ মিনিট
১৯২৩ সালে ইছামতীর তীরের এক প্রত্যন্ত গ্রামে কাঠের বাক্সে বন্দি হয়ে আসে এক মণ ওজনের এক বরফের চাঁই।সমান্তর · সংখ্যা ১

গল্পস্বল্প

নিশ্চিন্তপুরের রূপকথা

১৯২৩ সালে ইছামতীর তীরের এক প্রত্যন্ত গ্রামে কাঠের বাক্সে বন্দি হয়ে আসে এক মণ ওজনের এক বরফের চাঁই। বাড়ির সর্বেসর্বা কাদম্বিনী দেবীর অমোঘ ইচ্ছায় যে বরফ প্রখর গ্রীষ্মের দাবদাহেও এক ফোঁটাও গলে না। দীর্ঘকাল ধরে উঠোনের তুলসীমঞ্চের পাশে ঠায় দাঁড়িয়ে থাকা সেই বরফ হয়ে ওঠে আস্ত একটা গ্রামের সময়, স্মৃতি ও নিয়তির অলৌকিক ঘড়ি।

সত্যসাধন মণ্ডল৭ মিনিট
আত্মকথা ও অন্যান্য কবিতা প্রচ্ছদসমান্তর · সংখ্যা ১

কবিতা ও ছড়া

আত্মকথা ও অন্যান্য কবিতা

হারিয়ে যাওয়া, থেকে যাওয়া এবং তাদের মাঝখানে জন্ম নেওয়া স্মৃতির এক অদৃশ্য ভূগোল কখনও শব্দে, কখনও স্বপ্নে, কখনও রাগে, কখনও দাগে—কবি খুঁজে ফেরেন। এখানে সৌন্দর্যের পাশে নিঃশব্দে বসে থাকে বিষণ্ণতা, আকাঙ্ক্ষার পাশে অনিবার্য দূরত্ব, আর শৈল্পিক সৌন্দর্যের আড়ালে উঁকি দেয় জীবনের ক্ষত। সে চলে যায় রেখে যায় ক্ষীণ অথচ গভীর কোনো চিহ্ন। হাঁসের চলে যাওয়া পথের মতো—দাগ মুছে যায়, অথচ কোনো একদিন সেই জলের বুকেই শালুক ফুটে ওঠে।

সত্যসাধন মণ্ডল৩ মিনিট