দেবীশঙ্কর মিদ্যাের প্রতিকৃতি

দেবীশঙ্কর মিদ্যা

দক্ষিণ ২৪ পরগনা তথা সুন্দরবন এলাকার লোক-প্রত্নতত্ত্ব নিয়ে গবেষণায় অনেকটা পথ পেরিয়ে এসেছেন দেবীশঙ্কর মিদ্যা। ফলস্বরূপ তাঁর আবিষ্কৃত নতুন নতুন প্রত্নস্থল জেলার ইতিহাসকে করেছে বর্ণময় ও সমৃদ্ধ। উপকূলীয় প্রত্নতত্ত্ব গবেষণায় মথুরাপুর থানার সরবেড়িয়া গ্রামে নিজ বসতবাটীতে গড়ে তোলা বিপুল প্রত্নসামগ্রীতে সমৃদ্ধ তাঁর ‘সুন্দরবন প্রত্নগবেষণা কেন্দ্র ও সংগ্রহশালা’ আজ দেশ-বিদেশের প্রথিতযশা ইতিহাসবিদ ও গবেষকদের অন্যতম গন্তব্যস্থলে পরিণত হয়েছে। আঞ্চলিক ইতিহাস উদ্ধারে পিয়ালি নদী অববাহিকায় ধোসা ও তিলপি, হুগলী নদী তীরবর্তী দেউলপোতা ও মণি নদীর উপকূলে কঙ্কণদীঘি উৎখননকার্যে সক্রিয় অংশগ্রহণে তিনি প্রাজ্ঞতার যথার্থ পরিচয় রেখেছেন। ইতিমধ্যে তাঁর বহুমূল্যবান অসংখ্য প্রবন্ধ বিভিন্ন সংকলন গ্রন্থ ও পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত হয়ে অনুসন্ধিৎসু মনে বিপুল সাড়া জাগিয়েছে। বহু সেমিনারে তাঁর যুক্তিপূর্ণ উপস্থাপনা ঐতিহাসিক পরিমণ্ডলে প্রভূত প্রশংসিত হয়েছে। তাঁর প্রকাশিত গ্রন্থ ‘সুন্দরবনের শক্তিপীঠ ছত্রভোগ’, প্যারালাল প্রেস প্রকাশিত ‘জটার দেউল: প্রত্নতত্ত্ব ও লোককথা’ জেলার বিস্মৃত ইতিহাসের গৌরবময় অধ্যায় উন্মোচন করেছে।

১টি লেখা
শেয়ার করুন

তার লেখা

জয়নাগের বপ্পঘোষবাট তাম্রশাসন: একটি বিতর্কিত অবস্থানের প্রেক্ষাপটে প্রচ্ছদসমান্তর · সংখ্যা ১

গবেষণামূলক প্রবন্ধ

জয়নাগের বপ্পঘোষবাট তাম্রশাসন: একটি বিতর্কিত অবস্থানের প্রেক্ষাপটে

দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার পাথরপ্রতিমা ব্লকের মলয়া গ্রাম থেকে প্রাপ্ত মহারাজ জয়নাগের বিতর্কিত তাম্রশাসনকে কেন্দ্র করে এই গবেষণামূলক প্রবন্ধে উন্মোচিত হয়েছে সুন্দরবনের প্রাচীন ইতিহাসের এক বিস্মৃত অধ্যায়। প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন, প্রাচীন নদীপথ, তাম্রশাসনের বিবরণ ও ক্ষেত্রসমীক্ষার সূত্র ধরে লেখক অনুসন্ধান করেছেন বপ্পঘোষবাটের সম্ভাব্য অবস্থান, সমকালীন প্রশাসনিক কাঠামো এবং উপকূলীয় বাংলায় ব্রাহ্মণ্য সমাজের বিকাশ। ইতিহাসের প্রচলিত ব্যাখ্যাকে প্রশ্ন করে এই অনুসন্ধান তুলে ধরে দক্ষিণবঙ্গের অতীত পুনর্বিবেচনার নতুন সম্ভাবনা।

দেবীশঙ্কর মিদ্যা৩২ মিনিট