সকল লেখক

লেখকসূচি

সমান্তরের পাতায় যাঁরা এ পর্যন্ত লিখেছেন, তাঁদের প্রত্যেকের নাম ও প্রোফাইল এই তালিকায় বর্ণানুক্রমে সাজানো আছে।

১৮ জন

অদিতি রায়ের প্রতিকৃতি

অদিতি রায়

অদিতি রায়। জন্ম ১ মে, ১৯৯৭, বারুইপুরে। ঠাকুরদা বলরাম রায় ছিলেন লেখক। তাঁকে চোখে না দেখলেও বাড়ির সাহিত্যিক পরিমণ্ডলে অদিতির কবিতা লেখা শুরু হয় পাঁচবছর বয়স থেকে। বাংলা ভাষা ও সাহিত্য নিয়ে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়াশোনা করে বর্তমানে তিনি সেখানেই গবেষণারত। স্নাতক স্তরে গোল্ড মেডালিস্ট অদিতির লেখালেখি বিভিন্ন লিট্ল ম্যাগাজিন ছাড়াও ‘এই সময়’, ‘দেশ’, ‘আনন্দমেলা’, ‘মাসিক কৃত্তিবাস’-এ প্রকাশিত হয়েছে।

১টি লেখা

অভীক ঘোষের প্রতিকৃতি

অভীক ঘোষ

কলকাতায় শৈশব কাটিয়ে ষষ্ঠ শ্রেণিতে শান্তিনিকেতনের পাঠভবনে আবাসিক ছাত্র হিসেবে যোগদান। এরপর স্নাতক স্তরের তিন বছর প্রেসিডেন্সি কলেজ আর কর্মসূত্রে বছর-খানেক কলকাতার জীবন বাদ দিলে বাকি সময় সম্পূর্ণই শান্তিনিকেতনে। পাঠভবনের আবাসিক ছাত্রদের গৃহাধ্যক্ষ, শিক্ষাসত্র ও পাঠভবন—শান্তিনিকেতনের দুই স্কুলেরই ভূগোল-শিক্ষক অভীক ঘোষ এখন অবসর জীবনে ‘চিলড্রেন্স থিয়েটার অ্যাকাডেমি শান্তিনিকেতন’-এ বাচ্চাদের সঙ্গে হৈচৈ করেন, খেলেডাঙ্গা গ্রামের বাচ্চাদের পড়ান আর সব বয়সী বন্ধুদের সঙ্গে গান গেয়ে আনন্দের ধারা সকলের সঙ্গে ভাগ করে নেন।

১টি লেখা

অরিজিৎ চক্রবর্তীের প্রতিকৃতি

অরিজিৎ চক্রবর্তী

প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে ভূতত্ত্বে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর। কিছুদিন অধ্যাপনা করেছেন, বর্তমানে রাজনৈতিক কর্মী। সাংস্কৃতিক আন্দোলন ও বিজ্ঞান সচেতনতা বৃদ্ধির আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত। লিটল ম্যাগাজিনে লেখেন, বিভিন্ন ছোট পত্রিকায় সংগঠকের ভূমিকা পালন করেছেন নানা সময়। প্যারালালের অন্যতম সংগঠক।

১টি লেখা

আবীর করের প্রতিকৃতি

আবীর কর

আবীর কর বিশ্বভারতী-র বাংলা বিভাগের প্রাক্তন ছাত্র ও গবেষক। বর্তমানে ঝাড়গ্রামের জামবনি বাণী বিদ্যাপীঠের শিক্ষক। তাঁর প্রকাশিত গ্রন্থ: ‘সহজ পাঠ : বই-চিত্র’, ‘ভোটের রঙ্গ-রসিকতা’। সম্পাদিত বই : ‘অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুরের চিত্রাক্ষর ও অন্যান্য’, ‘উনিশ শতকের বিস্মৃত বাংলা প্রাইমার’, ‘সহজ রচনাশিক্ষা’। পছন্দের বিষয় রবীন্দ্রনাথ, পুরনো পত্রপত্রিকা।

১টি লেখা

দেবাশিস মুখোপাধ্যায়ের প্রতিকৃতি

দেবাশিস মুখোপাধ্যায়

পদার্থবিজ্ঞানের ছাত্র ছিলেন। নগরের কোলাহল থেকে দূরে প্রকৃতির মধ্যে থাকতে পছন্দ করেন এই পরিবেশকর্মী। গ্রামের দরিদ্র মানুষের মধ্যে জীবনমুখী শিক্ষাবিস্তারের কাজেও নিয়োজিত রয়েছেন তিনি। তাঁর রচিত গ্রন্থগুলি হল—‘ক্লাসরুমের রূপকথা: জীবন বিজ্ঞান ও পরিবেশ ভ্রমণ’, ‘স্বাস্থ্যের সন্ধানে অথবা অসুস্থতার খোঁজে’ এবং ‘চিকিৎসার ধূসর জগতে: মন, সমাজ, কর্পোরেট’।

৪টি লেখা

দেবীশঙ্কর মিদ্যাের প্রতিকৃতি

দেবীশঙ্কর মিদ্যা

দক্ষিণ ২৪ পরগনা তথা সুন্দরবন এলাকার লোক-প্রত্নতত্ত্ব নিয়ে গবেষণায় অনেকটা পথ পেরিয়ে এসেছেন দেবীশঙ্কর মিদ্যা। ফলস্বরূপ তাঁর আবিষ্কৃত নতুন নতুন প্রত্নস্থল জেলার ইতিহাসকে করেছে বর্ণময় ও সমৃদ্ধ। উপকূলীয় প্রত্নতত্ত্ব গবেষণায় মথুরাপুর থানার সরবেড়িয়া গ্রামে নিজ বসতবাটীতে গড়ে তোলা বিপুল প্রত্নসামগ্রীতে সমৃদ্ধ তাঁর ‘সুন্দরবন প্রত্নগবেষণা কেন্দ্র ও সংগ্রহশালা’ আজ দেশ-বিদেশের প্রথিতযশা ইতিহাসবিদ ও গবেষকদের অন্যতম গন্তব্যস্থলে পরিণত হয়েছে। আঞ্চলিক ইতিহাস উদ্ধারে পিয়ালি নদী অববাহিকায় ধোসা ও তিলপি, হুগলী নদী তীরবর্তী দেউলপোতা ও মণি নদীর উপকূলে কঙ্কণদীঘি উৎখননকার্যে সক্রিয় অংশগ্রহণে তিনি প্রাজ্ঞতার যথার্থ পরিচয় রেখেছেন। ইতিমধ্যে তাঁর বহুমূল্যবান অসংখ্য প্রবন্ধ বিভিন্ন সংকলন গ্রন্থ ও পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত হয়ে অনুসন্ধিৎসু মনে বিপুল সাড়া জাগিয়েছে। বহু সেমিনারে তাঁর যুক্তিপূর্ণ উপস্থাপনা ঐতিহাসিক পরিমণ্ডলে প্রভূত প্রশংসিত হয়েছে। তাঁর প্রকাশিত গ্রন্থ ‘সুন্দরবনের শক্তিপীঠ ছত্রভোগ’, প্যারালাল প্রেস প্রকাশিত ‘জটার দেউল: প্রত্নতত্ত্ব ও লোককথা’ জেলার বিস্মৃত ইতিহাসের গৌরবময় অধ্যায় উন্মোচন করেছে।

১টি লেখা

গ্রন্থকারও

প্রণবকান্তি বসুের প্রতিকৃতি

প্রণবকান্তি বসু

সত্তরের দশকে প্রেসিডেন্সি কলেজ এবং কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতির পাঠ। সেই সময় থেকেই, বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত, যুক্ত ছিলেন ‘অন্য অর্থ’ পত্রিকা গোষ্ঠীর সঙ্গে। দীর্ঘকাল পড়িয়েছেন আশুতোষ কলেজ এবং বিশ্বভারতীতে। মার্কসবাদের নিবিড় পাঠক প্রণবকান্তি বসু বাংলা, ইংরেজি দুই ভাষাতেই বহু সাময়িক পত্রে প্রবন্ধ লিখে আসছেন দীর্ঘদিন ধরে। তাঁর লেখা একাধিক গ্রন্থের মধ্যে আছে ‘সামন্ততন্ত্র: উত্তর আধুনিকতার চোখে’, ‘Globalisation—An Anti Text: A Local View’ প্রভৃতি।

১টি লেখা

মৃণ্ময় হোতাের প্রতিকৃতি

মৃণ্ময় হোতা

জন্ম ১৯৬৬ সালে ঝাড়গ্রামের চন্দ্রী গ্রামে। স্কুলের গণ্ডী ছাড়িয়ে মেদিনীপুরে পড়তে যাওয়া। কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে গণিত নিয়ে পড়া সাঙ্গ করে আবহাওয়া বিজ্ঞানে এম টেকে ভর্তি হন কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে। সে পড়া অসমাপ্ত রেখেই শিক্ষকতার চাকরি নিয়ে ঝাড়গ্রামে ফিরে আসা ১৯৯৩ সালে। চাকরিরত অবস্থায় ২০০৫ সালে পিএইচ.ডি করেন তাত্ত্বিক কম্পিউটার-বিজ্ঞানে। প্রধান শিক্ষক হন ২০০৩ সালে। ৩০ এপ্রিল ২০২৬ সালে দহিজুড়ি মহাত্মা বিদ্যাপীঠ থেকে অবসর নিয়েছেন। পেশার সঙ্গে গণিত জড়িয়ে থাকলেও ছেলেবেলা থেকেই সাহিত্য-দর্শন-ইতিহাস-অর্থনীতি-শিল্পকলার মত নানান বিষয়ের প্রতি ছিল প্রবল টান। গনিত ছাড়াও মহাকাশ, পরিবেশ, সাহিত্য ও ঝাড়গ্রামের ইতিহাস সহ বিবিধ বিষয়ে তাঁর শতাধিক প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে। নেশা বই পড়া, ছোটদের বিজ্ঞান সচেতন করা আর সুযোগ পেলেই ভ্রমণে বেরিয়ে পড়া।

১টি লেখা

রাজেন্দ্রপ্রসাদ দেের প্রতিকৃতি

রাজেন্দ্রপ্রসাদ দে

জন্ম ৭ সেপ্টেম্বর ১৯৬৯। বাঁকুড়া জেলার খাতড়ায়, মাতুলালয়ে। পৈতৃক নিবাস ঝাড়গ্রাম। বাবা বনমালী দে। মা ললিতারানী দে। বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উদ্ভিদবিদ্যায় স্বর্ণপদক-সহ স্নাতকোত্তর ও পিএইচ. ডি ডিগ্রি লাভ করেন। সরকারি কলেজে অধ্যাপনা-সূত্রে ঝাড়গ্রাম রাজ কলেজ, কোচবিহার আচার্য ব্রজেন্দ্রনাথ শীল কলেজ ও গভর্নমেন্ট জেনারেল ডিগ্রি কলেজ, মোহনপুরে পড়িয়েছেন। বর্তমানে ঝাড়গ্রামের রানি ইন্দিরা দেবী গভর্নমেন্ট গার্লস’ কলেজে অধ্যাপনা করেন। হাসঃ ছদ্মনামে সাহিত্যচর্চা করেন। বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় নিয়মিত গল্প, নাটক, প্রবন্ধ, কবিতা প্রভৃতি লেখেন। সমস্ত ঘটনার মধ্যেই হাস্যরস সৃষ্টির একটা প্রচেষ্টা তাঁর রচনায় দেখা যায়। উল্লেখযোগ্য নাটক: ‘অশ্বমেধ’, ‘বরযাত্রী’ ও ‘চাঁদাপাটি’, ‘চাঁদামামা’। গল্পের মধ্যে ‘আড়াইপ্যাঁচ’, ‘চার্বাক’, ‘ব্ল্যাকহোল’, ‘লাল-নীল মাছ’, ‘বৃহদারণ্যক’ উল্লেখযোগ্য। লিখেছেন ‘বাংলার স্থাননামে উদ্ভিদ’, ‘কৃষ্ণচূড়া-রাধাচূড়া সমস্যা’, ‘প্রাচীন সাহিত্যে হাস্যরস’, ‘ঈশ্বর, প্রকৃতি ও জীব’ নামে বিচিত্র বিষয়ের প্রবন্ধ। সাহিত্যচর্চার পাশাপাশি বন্যপ্রাণের আলোক-চিত্রায়ণ, জীব-বৈচিত্র্য ও উদ্ভিদ-সংস্কৃতি বিষয়ক গবেষণা কর্মে নিযুক্ত। প্রকাশিত গ্রন্থ: ‘হাসনাটকচক্র ১’ (২০২২) ও ‘হাসনাটকচক্র ২’ (২০২৪)। Edited book (With Dr. D. Sinha): ‘Plant—A Valuable Resource of Sustainable Agriculture, Food and Medicine’ (2022).

১টি লেখা

রুদ্র কিংশুকের প্রতিকৃতি

রুদ্র কিংশুক

রুদ্র কিংশুক মূলত কবি। ইংরেজি ও বাংলা দুই ভাষাতেই মৌলিক কবিতা লেখেন, লেখেন গল্পও। বাংলা ও ইংরেজিতে লিখেছেন অনেকগুলি প্রবন্ধের বইও। লেখালেখির স্বীকৃতিস্বরূপ পেয়েছেন ভারত সরকারের মানব সম্পদ উন্নয়ন দপ্তর কর্তৃক প্রদত্ত ‘জুনিয়র ফেলোশিপ ইন লিটারেচার’ (১৯৯৭–৯৯)। বিদ্যায়তনিক লেখাপড়ার বাইরে তাঁর গভীর আগ্রহের বিষয় পাখি ও পাখির বই।

১টি লেখা

সত্যসাধন মণ্ডলের প্রতিকৃতি

সত্যসাধন মণ্ডল

বিশ্বভারতীর প্রাক্তনী। লেখার বিষয় মূলত কবিতা। পত্র-পত্রিকা ও ফেসবুকে নিয়মিত লেখালেখি করেন। ইতিপূর্বে উর্ণপত্র থেকে প্রকাশিত হয়েছে ‘ঈশ্বরের জন্য লেখা কবিতা’ নামে একটি কাব্যগ্রন্থ। তাঁর ঘোষণা অনুসারে—মানুষ আর সাপে ভয় পান, প্রাতিষ্ঠানিক ভূত-ভগবানের বিষয়টি বুঝতে পারেন না এবং উপনিষদ মানেন।

৪টি লেখা