সমান্তর

লেখার রীতি-নীতি

লেখার আকার

(১)আমাদের ‘পাণ্ডুলিপি নির্মাণশৈলী’ অনুসরণ করুন।

(২)‘সমান্তর’-এ লেখা প্রকাশের জন্য পাণ্ডুলিপি অবশ্যই মাইক্রোসফট ওয়ার্ড (.doc/.docx) ফাইল আকারে নির্ধারিত ই-মেল ঠিকানায় পাঠাতে হবে। এজন্য সমান্তরের ওয়েবপৃষ্ঠায় ‘পাণ্ডুলিপি জমা দিন’ শীর্ষক অংশটি দেখুন।

(৩)একটি মাইক্রোসফট ওয়ার্ড (.doc/.docx) ফাইল আপনাকে তৈরি করতে হবে। ফাইলটির নাম দেবেন ইংরেজিতে আপনার নাম দিয়ে। ফাইলটিতে যথাক্রমে এই বিষয়গুলি থাকবে:

(ক) লেখার শিরোনাম (খ) লেখকের নাম পদবি (গ) সংক্ষিপ্তসার (ঘ) প্রকরণ (ঙ) লেখক পরিচিতি (চ) মোট শব্দসংখ্যা (ছ) ডাক-ঠিকানা (জ) ই-মেল (ঝ) ফোন নম্বর (ঞ) পুনরায় লেখার শিরোনাম (ট) মূললেখা (ঠ) উৎসপঞ্জি (প্রয়োজন হলে)।

মূললেখা হল আপনার লেখার মূল পাণ্ডুলিপিটি, যেখানে সম্পূর্ণ লেখাটি থাকবে। লেখক পরিচিতিটি হবে সর্বোচ্চ ১৫০ শব্দের। যদি ছদ্মনামে লিখতে চান তাহলে লেখকের নাম পদবি লেখার পর তার নিচে ‘ছদ্মনাম: ....’ লিখুন। ছদ্মনাম ব্যবহার করতে চাইলে ‘ছদ্মনাম উপযোগী’ লেখক পরিচিতি (প্রকাশের জন্য) এবং লেখকের আসল নাম-পদবি সহ সংক্ষিপ্ত লেখক পরিচিতি—দুই-ই দিতে হবে।

(৪)নমুনা হিসেবে নিচে মাইক্রোসফট ওয়ার্ড (.doc/.docx)-এর একটি আদর্শ ফাইল এখানে দেওয়া হল। ফাইলটি ডাউনলোড করে নিন। ডাউনলোড করবার পর, এক একটি লিখিত অংশ মুছে, নিজের লেখা দিয়ে ভর্তি করুন।

লেখা পাঠাবার জন্য আদর্শ মাইক্রোসফট ওয়ার্ড (.doc/.docx) ফাইল এখান থেকে ডাউনলোড করুন।

(৫)পাণ্ডুলিপি অবশ্যই ইউনিকোড-সমর্থিত বাংলা লিপিতে লিখতে হবে। চাইলে গুগলের লিপি ‘Noto Serif Bengali’ ব্যবহার করতে পারেন। এই লিপিটি আপনার কম্পিউটারে না থাকলে নিচের লিঙ্কটি থেকে ফন্টটি ডাউনলোড করতে পারবেন এবং তারপর ফন্টটি আপনার কম্পিউটারে ইনস্টল করে নিলে সহজেই এই ফন্টে টাইপ করতে পারবেন।

Noto Serif Bengali ফন্ট ডাউনলোড করুন

(৬)গল্প, প্রবন্ধ ও উপন্যাসের ক্ষেত্রে ‘সারসংক্ষেপ’ (Abstract) সংযুক্ত করতে হবে। গল্প ও প্রবন্ধের সারসংক্ষেপ সর্বোচ্চ ৫০০ শব্দের এবং উপন্যাসের সারসংক্ষেপ সর্বোচ্চ ১০০০ শব্দের হতে হবে। কবিতার, ছড়ার বা ১০০০ শব্দের কম কোনো রচনার সারসংক্ষেপ দেওয়ার দরকার নেই।

(৭)গবেষণামূলক প্রবন্ধ ছাড়া অন্য কোনো রচনার সারসংক্ষেপ প্রকাশ করা হবে না। তবে আপনার লেখা সারসংক্ষেপের অংশবিশেষ বা সম্পূর্ণটিই, লেখাটির প্রচারার্থে বা পাঠকের দৃষ্টি আকর্ষণ করার জন্য পরিচিতিমূলক প্রারম্ভকথা হিসেবে ব্যবহার করা হতে পারে।

(৮)বিভিন্ন ধরনের রচনার জন্য নিম্নলিখিত শব্দসীমা প্রযোজ্য হবে—

  • গল্প, প্রবন্ধ, ভ্রমণ, রঙ্গব্যঙ্গ ও আলোচনা: সর্বোচ্চ ৩০০০ শব্দ।
  • অনুগল্প/ছোটগল্প (গল্পস্বল্প): সর্বোচ্চ ৭০০ শব্দ।
  • গবেষণামূলক প্রবন্ধ: সর্বোচ্চ ৫০০০ শব্দ।

বিশেষ ক্ষেত্রে সম্পাদকমণ্ডলী প্রয়োজন অনুসারে এই সীমার ব্যতিক্রমকে বিবেচনায় আনতে পারেন; এই বিষয়ে সম্পাদকমণ্ডলীর সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত বলে বিবেচিত হবে।

(৯)উপন্যাসের সর্বোচ্চ শব্দসংখ্যা ৫০,০০০। ‘সমান্তর’-এ গৃহীত উপন্যাস ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হবে।

(১০)কবিতা ও ছড়া জাতীয় রচনার ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট শব্দসংখ্যা বা পঙ্‌ক্তিসংখ্যার বাধ্যবাধকতা নেই। একবারে সর্বাধিক পাঁচটি কবিতা বা সমজাতীয় রচনা (ছড়া বা প্যারডি) একটি ওয়ার্ড ফাইলে পাঠানো যাবে। দীর্ঘ কবিতা, আখ্যানকাব্য পাঠাতে চাইলে একটিই পাঠাবেন।

(১১)পত্রিকার নিয়মিত বিভাগের অন্তর্ভুক্ত কোনো বিষয় বা দীর্ঘমেয়াদি প্রবন্ধমালা অথবা একাধিক কিস্তিতে প্রকাশযোগ্য অন্য কোনো প্রকল্পভিত্তিক রচনা প্রকাশ করতে ইচ্ছুক হলে, সম্পূর্ণ পাণ্ডুলিপি প্রেরণের পূর্বে লেখককে সংক্ষিপ্ত একটি প্রস্তাব (Proposal) ই-মেলের মাধ্যমে পাঠাতে হবে। প্রস্তাবে রচনার বিষয়, উদ্দেশ্য, সম্ভাব্য কাঠামো এবং পরিকল্পনার সংক্ষিপ্ত বিবরণ থাকবে। সম্পাদকমণ্ডলী প্রস্তাবটি পর্যালোচনা করে প্রয়োজন হলে পরবর্তী যোগাযোগ করবেন।

(১২)পাণ্ডুলিপি গ্রহণ, সম্পাদকীয় মূল্যায়ন, সংশোধন-সংক্রান্ত পরামর্শ, প্রকাশ-সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত এবং অন্যান্য সকল আনুষ্ঠানিক যোগাযোগ কেবলমাত্র ই-মেলের মাধ্যমে সম্পন্ন হবে। বিশেষ প্রয়োজনে সম্পাদকমণ্ডলী অন্য কোনো মাধ্যমে যোগাযোগ করলেও, সম্পাদকীয় সিদ্ধান্তের আনুষ্ঠানিক মাধ্যম হিসেবে ই-মেলকেই চূড়ান্ত বলে গণ্য করা হবে।

(১৩)গবেষণামূলক প্রবন্ধে ব্যবহৃত সকল উদ্ধৃতি, তথ্যসূত্র ও উৎসনির্দেশ সমান্তরের পাণ্ডুলিপি নির্মাণশৈলী অনুসারে উপস্থাপন করতে হবে (এই ওয়েবসাইটে তা সহজলভ্য)। লেখককে সমান্তরের উৎসনির্দেশরীতি অনুসরণ করতে হবে। সকল ক্ষেত্রেই অন্ত্যটীকা (endnote)-পদ্ধতি ব্যবহার করতে হবে। অন্ত্যটীকা কীভাবে ব্যবহার করবেন তা জানার জন্য ‘পাণ্ডুলিপি নির্মাণশৈলী’ দেখুন।

(১৪)প্রকাশের জন্য প্রেরিত প্রতিটি রচনা পূর্বে মুদ্রিত, বৈদ্যুতিন বা অন্য কোনো মাধ্যমে প্রকাশিত হওয়া চলবে না। একইসঙ্গে অন্য কোনো পত্রিকা বা প্রকাশনার সম্পাদকীয় বিবেচনার জন্যও রচনাটি প্রেরিত থাকা উচিত নয়।

(১৫)লেখক তাঁর রচনার মৌলিকতা, ব্যবহৃত তথ্য, উদ্ধৃতি এবং মেধাস্বত্ব-সংক্রান্ত সকল বিষয়ের জন্য দায়ী থাকবেন। কুম্ভীলকবৃত্তি (plagiarism), স্ব-কুম্ভীলকবৃত্তি (self-plagiarism), দ্বৈত প্রকাশ (duplicate publication) অথবা প্রকাশনা-নীতির অন্য কোনো নিয়ম লঙ্ঘনের অভিযোগ প্রমাণিত হলে সম্পাদকমণ্ডলী রচনাটিকে প্রত্যাখ্যান, প্রত্যাহার অথবা ভবিষ্যতে সংশ্লিষ্ট লেখকের লেখা প্রকাশ না করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারে।

(১৬)পাণ্ডুলিপি প্রাপ্তির পর সম্পাদকীয় মূল্যায়ন-প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে লেখককে ই-মেলের মাধ্যমে সিদ্ধান্ত জানানো হবে। যদি পাণ্ডুলিপি প্রেরণের দু’মাসের মধ্যে সমান্তরের পক্ষ থেকে কোনো উত্তর না পাওয়া যায়, তবে ধরে নিতে হবে যে উক্ত পাণ্ডুলিপিটি প্রকাশের জন্য মনোনীত হয়নি। বিশেষ পরিস্থিতিতে সম্পাদকীয় মূল্যায়ন-প্রক্রিয়া দীর্ঘায়িত হলে আমাদের সম্পাদনা পর্ষদের তরফ থেকে, প্রয়োজন অনুসারে, লেখককে অবহিত করা হবে।

(১৭)পিডিএফ (PDF), ইমেজ, স্ক্যানকৃত নথি, হাতে-লেখা পাণ্ডুলিপি অথবা ইউনিকোড-বহির্ভূত বর্ণসংস্থাপনে প্রস্তুত কোনো পাণ্ডুলিপি সম্পাদকীয় মূল্যায়নের জন্য গ্রহণ করা হবে না।

(১৮)‘সমান্তর’-এ প্রকাশিত রচনার সংযোগ (Link) লেখক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বা অন্য যে-কোনো বৈধ মাধ্যমে অবাধে প্রচার ও শেয়ার করতে পারবেন। তবে সমান্তরে প্রথম প্রকাশের চার মাসের মধ্যে, সম্পাদকমণ্ডলীর পূর্বানুমতি ব্যতীত একই রচনা অন্য কোনো বৈদ্যুতিন বা আন্তর্জালিক মাধ্যমে পুনঃপ্রকাশ করা যাবে না। এই শর্ত লঙ্ঘিত হলে প্রকাশক ‘ভবিষ্যতে এই লেখকের লেখা প্যারালালের কোনো মাধ্যমে প্রকাশ করা হবে না’ এমন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারেন।

(১৯)সম্পাদকীয় মূল্যায়ন-প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে ‘সমান্তর’ প্রয়োজন অনুসারে পাণ্ডুলিপির ভাষা, বানান, ব্যাকরণ, যতিচিহ্ন, উৎসনির্দেশ, বিন্যাস, শৈলী ও অন্যান্য প্রকাশোপযোগী সংশোধন করতে পারবেন।

(২০)তবে রচনার বক্তব্য, বিশ্লেষণ, তথ্য, যুক্তির গঠন বা বিষয়বস্তুর মৌলিক বৈশিষ্ট্যে প্রভাব ফেলতে পারে—এমন কোনো গুরুত্বপূর্ণ সম্পাদনা লেখকের পূর্বানুমতি ব্যতীত করা হবে না। এ ধরনের ক্ষেত্রে সংশোধনের প্রস্তাব লেখককে অবহিত করা হবে এবং তাঁর সম্মতিক্রমেই সম্পাদিত রচনাটি প্রকাশিত হবে।

(২১)‘সমান্তর’ একটি অলাভজনক (non-profit) সাহিত্য, সংস্কৃতি ও গবেষণাভিত্তিক আন্তর্জালিক পত্রিকা। বর্তমানে, পত্রিকায় প্রকাশিত রচনার জন্য লেখকদের সম্মানদক্ষিণা প্রদান করা আমাদের পক্ষে সম্ভব নয়। ভবিষ্যতে এ বিষয়ে নীতিগত পরিবর্তন হলে তা পৃথকভাবে ঘোষণা করা হবে।

(২২)আন্তর্জালিক পত্রিকা ‘সমান্তর’ সকল পাঠকের জন্য উন্মুক্ত (open access journal)। গবেষণামূলক প্রবন্ধের ক্ষেত্রে সম্পাদকীয় মূল্যায়নের অংশ হিসেবে প্রয়োজন অনুসারে দ্বিকোটিক গোপন পর্যালোচনা (double-blind peer review)-পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়; অর্থাৎ লেখক ও পর্যালোচক—উভয়ের পরিচয় গোপন রেখে বিশেষজ্ঞদের মতামতের ভিত্তিতে প্রকাশ-সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

(২৩)যেসব গবেষণামূলক প্রবন্ধের ক্ষেত্রে সম্পাদকীয় সম্পাদনা, বিশেষজ্ঞ মূল্যায়ন বা পর্যালোচনা-প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা প্রয়োজন হবে, সেসব ক্ষেত্রে নির্ধারিত প্রবন্ধ প্রক্রিয়াকরণ ব্যয় (article processing fee) লেখককে বহন করতে হবে।