পরিচিতি

গ্রন্থকার সূচি

প্যারালালের সাথে যুক্ত সকল গ্রন্থকারের পরিচিতি, তাঁদের প্রকাশিত বইয়ের তালিকাসহ এখানে বর্ণানুক্রমে সাজানো আছে।

৬ জন

অশোক মুখোপাধ্যায়ের প্রতিকৃতি

অশোক মুখোপাধ্যায়

অশোক মুখোপাধ্যায় (১৯৫৪-) দীর্ঘদিনের একজন মার্ক্সবাদী সার্বক্ষণিক কর্মী (১৯৭০-২০০৭)। সক্রিয় রাজনীতির মঞ্চ ছেড়ে সরে এসে এখন তিনি বিজ্ঞান আন্দোলন ও মানবাধিকার আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত এবং সেই সঙ্গে মার্ক্সীয় দর্শনের ভিত্তিতে বিজ্ঞানের ইতিহাস সমাজতত্ত্ব ও দর্শনের উপর পড়াশুনা ও অপ্রাতিষ্ঠানিক গবেষণায় মগ্ন। বিভিন্ন বাংলা ও ইংরাজি পত্রপত্রিকা এবং পোর্টালে তিনি নিয়মিত লেখালেখি করেন।

৩টি বই

প্যারালালের লেখকও

দীপক বিশ্বাসের প্রতিকৃতি

দীপক বিশ্বাস

মায়ের হিসাব মতো, ১৩৫৩ বঙ্গাব্দের বৈশাখে জন্ম। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পাল্টে গিয়ে হয়েছে ১৬ই আগস্ট, ১৯৫৬। এই ইংরেজী জন্মতারিখটাই সরকারি খাতাপত্রে গৃহীত হয়েছে এবং সর্বত্র মান্যতা পেয়েছে। জন্ম একেবারে অজগাঁয়ে, মুর্শিদাবাদ জেলার নওদা থানার সব্দরনগর গ্রামে। সেটা লেখকের পক্ষে ভালো হয়েছে বলে তিনি মনে করেন। তাঁকে প্রচুর শিখিয়েছে তাঁর গাঁ। বাবার প্রশ্রয়ে রাত জেগে আলকাপ, বোলান, গ্রামীণ যাত্রা, কবিগান, ঝাপান গান শুনেছেন, দেখেছেন। টহান গান, রাখাল ছেলের গান, মাঝি মাল্লার গান, পীরের গান, সারিগান, ভাসান গান, কাহানী ইত্যাদি প্রাত্যহিক সঙ্গী ছিল। এই গাঁ-ই তাঁকে শিক্ষার আলো দিয়েছে, চর্চায় নিয়ে এসেছে। মাকে লখিন্দরের মৃত্যুতে কান্নার সাথে সাথে জাবি গানে হাসান-হোসেনের মৃত্যুতেও আঁচল দিয়ে চোখ মুছতে দেখেছেন লেখক। পাড়ায় লক্ষ্মীপুজোর আসরে রূপবান, সাগরভাষা যাত্রাও হতে দেখেছেন। এসব শিক্ষাই তাঁর পাওয়া। তিনি লিপিবদ্ধ করেছেন মাত্র‌। প্রায়োজনিক কারণে তিন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে নাটক, সাংবাদিকতা এবং গ্রন্থাগার বিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর ডিগ্রী নিয়েছেন। স্বচ্ছন্দে জীবন কাটাতে বিদ্যালয়ের গ্রন্থাগারিকের চাকুরি নিয়েছিলেন। এখন অবসরপ্রাপ্ত। ভালোবেসে যুক্ত আছেন মুক্ত থিয়েটার চর্চায়। লোকশিল্পীদের কাছে থাকতে 'সারা বাংলা লোকশিল্পী সংসদ'-এর কর্মী হয়েছেন। তাঁদের কাছে শিখে চলেছেন।

১টি বই

প্যারালালের লেখকও

দেবীশঙ্কর মিদ্যাের প্রতিকৃতি

দেবীশঙ্কর মিদ্যা

দক্ষিণ ২৪ পরগনা তথা সুন্দরবন এলাকার লোক-প্রত্নতত্ত্ব নিয়ে গবেষণায় অনেকটা পথ পেরিয়ে এসেছেন দেবীশঙ্কর মিদ্যা। ফলস্বরূপ তাঁর আবিষ্কৃত নতুন নতুন প্রত্নস্থল জেলার ইতিহাসকে করেছে বর্ণময় ও সমৃদ্ধ। উপকূলীয় প্রত্নতত্ত্ব গবেষণায় মথুরাপুর থানার সরবেড়িয়া গ্রামে নিজ বসতবাটীতে গড়ে তোলা বিপুল প্রত্নসামগ্রীতে সমৃদ্ধ তাঁর ‘সুন্দরবন প্রত্নগবেষণা কেন্দ্র ও সংগ্রহশালা’ আজ দেশ-বিদেশের প্রথিতযশা ইতিহাসবিদ ও গবেষকদের অন্যতম গন্তব্যস্থলে পরিণত হয়েছে। আঞ্চলিক ইতিহাস উদ্ধারে পিয়ালি নদী অববাহিকায় ধোসা ও তিলপি, হুগলী নদী তীরবর্তী দেউলপোতা ও মণি নদীর উপকূলে কঙ্কণদীঘি উৎখননকার্যে সক্রিয় অংশগ্রহণে তিনি প্রাজ্ঞতার যথার্থ পরিচয় রেখেছেন। ইতিমধ্যে তাঁর বহুমূল্যবান অসংখ্য প্রবন্ধ বিভিন্ন সংকলন গ্রন্থ ও পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত হয়ে অনুসন্ধিৎসু মনে বিপুল সাড়া জাগিয়েছে। বহু সেমিনারে তাঁর যুক্তিপূর্ণ উপস্থাপনা ঐতিহাসিক পরিমণ্ডলে প্রভূত প্রশংসিত হয়েছে। তাঁর প্রকাশিত গ্রন্থ ‘সুন্দরবনের শক্তিপীঠ ছত্রভোগ’, প্যারালাল প্রেস প্রকাশিত ‘জটার দেউল: প্রত্নতত্ত্ব ও লোককথা’ জেলার বিস্মৃত ইতিহাসের গৌরবময় অধ্যায় উন্মোচন করেছে।

প্যারালালের লেখকও

শুভাশিসের প্রতিকৃতি

শুভাশিস

জন্ম ১৯৮৭ সালে বীরভূমের বিখ্যাত জনপদ দুবরাজপুরে, জেলার সদর শহর সিউড়িতে বেড়ে ওঠা; বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় অধীন সিউড়ি বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে গণিতে স্নাতক, স্নাতক শেষ করেই শিক্ষক হিসেবে মাজিগ্রাম উচ্চ বিদ্যালয় (উ. মা.) যোগদান, পরবর্তীতে কর্মরত অবস্থায় বিশুদ্ধ গণিতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন। বিগত ১২ বছরের বেশি সময় ধরে বিদ্যালয়ে বিজ্ঞান ও গণিত শিক্ষার পাশাপাশি জেলার বিভিন্ন প্রান্তে শিক্ষার্থীদের মধ্যে হাতে-কলমে বিজ্ঞান সহ নানা আঙ্গিকে শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞানমনস্কতার কাজে যুক্ত। নিয়মিত বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় গণিত ও বিজ্ঞান বিষয় লেখালেখি করেন। প্যারালাল প্রকাশিত জনপ্রিয় বই ‘বিজ্ঞান বিশ্বে এদেশের মেয়েরা’-তেও লিখেছেন। শিশু ও কিশোর জন্য সোশ্যাল মিডিয়ায় ধারাবাহিক লেখা ‘আমি অগ্নিজা বলছি’ পাঠক মহলে বেশ জনপ্রিয়।

১টি বই

প্যারালালের লেখকও

শোভনের প্রতিকৃতি

শোভন

একটি আলোকচিত্র, শিক্ষাগত যোগ্যতা, পেশা কিংবা ঠিকানা দিয়ে কবিকে চেনা কঠিন। এই বর্ণনা হতে পারে তাঁর ব্যক্তিসত্তার পরিচায়ক। কিন্তু কবিসত্তার পরিচিতি তাঁর বইয়ের দুমলাটের মাঝখানের সাদা পৃষ্ঠা গুলোর উপর মুদ্রিত কালো অক্ষরগুলির মধ্যে সন্নিবিষ্ট। কবির পরিচয় তাঁর কবিতায়।

১টি বই

প্যারালালের লেখকও

হোমাগ্নি ঘোষের প্রতিকৃতি

হোমাগ্নি ঘোষ

জন্ম কলকাতায় হলেও লেখকের জীবনের দীর্ঘ সময় কেটেছে উত্তরবঙ্গের চা বাগানে। তাই ছোট থেকেই প্রকৃতির সাহচর্যে তাঁর বড় হওয়া। বাবার হাত ধরে একদম ছোটবেলা থেকেই পাহাড় আর জঙ্গলের প্রতি লেখকের তীব্র আকর্ষণ। রহড়া ভিসি কলেজ থেকে প্রাণীবিদ্যায় সম্মানিত স্নাতক। প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে প্রাণীবিদ্যায় স্নাতকোত্তর। প্রায় ১৭ বছর ধরে হিমালয়ের বহু দুর্গম জায়গায় ট্রেক করেছেন এবং করছেন। ভারতের বিভিন্ন অরণ্য ঘুরেছেন, দেখেছেন বন্যজীবনের বৈচিত্র্যময় গতিপ্রকৃতি। সদ্য আফ্রিকার বন্যজীবনের সাথে পরিচয় ঘটেছে দীর্ঘ ১৪ দিনের যাত্রাপথে। ইতিপূর্বে লেখকের প্রকাশিত তিনটি বই—‘কমরেড যখন হিমালয়’, ‘হিমালয় তুষার থেকে সবুজে’, ‘দার্জিলিং এর চিঠি’।

১টি বই