সকল লেখক

লেখকসূচি

অন্যপাতার পাতায় যাঁরা এ পর্যন্ত লিখেছেন, তাঁদের প্রত্যেকের নাম ও প্রোফাইল এই তালিকায় বর্ণানুক্রমে সাজানো আছে।

৬ জন

অম্লান রায়ের প্রতিকৃতি

অম্লান রায়

কবির পরিচয় তার কবিতা হলেও ব্যক্তিগত জীবনের দর্পণ‌ও কবিতা হতে পারে। সেই জীবনটার‌ই একটা অংশে বর্তমানে ধ্রুবচাঁদ হালদার কলেজে স্নাতক স্তরের চতুর্থ বর্ষে বাণিজ্য নিয়ে পড়াশোনা। এক‌ই সঙ্গে রয়েছে কয়েকটি সাংস্কৃতিক গোষ্ঠীর সাহচর্য। নাটক, গান, লেখা এই তিনের সংমিশ্রণে একটা বিলাসবহুল জীবন‌ই কাঙ্ক্ষিত।

১টি লেখা

দীপক বিশ্বাসের প্রতিকৃতি

দীপক বিশ্বাস

মায়ের হিসাব মতো, ১৩৫৩ বঙ্গাব্দের বৈশাখে জন্ম। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পাল্টে গিয়ে হয়েছে ১৬ই আগস্ট, ১৯৫৬। এই ইংরেজী জন্মতারিখটাই সরকারি খাতাপত্রে গৃহীত হয়েছে এবং সর্বত্র মান্যতা পেয়েছে। জন্ম একেবারে অজগাঁয়ে, মুর্শিদাবাদ জেলার নওদা থানার সব্দরনগর গ্রামে। সেটা লেখকের পক্ষে ভালো হয়েছে বলে তিনি মনে করেন। তাঁকে প্রচুর শিখিয়েছে তাঁর গাঁ। বাবার প্রশ্রয়ে রাত জেগে আলকাপ, বোলান, গ্রামীণ যাত্রা, কবিগান, ঝাপান গান শুনেছেন, দেখেছেন। টহান গান, রাখাল ছেলের গান, মাঝি মাল্লার গান, পীরের গান, সারিগান, ভাসান গান, কাহানী ইত্যাদি প্রাত্যহিক সঙ্গী ছিল। এই গাঁ-ই তাঁকে শিক্ষার আলো দিয়েছে, চর্চায় নিয়ে এসেছে। মাকে লখিন্দরের মৃত্যুতে কান্নার সাথে সাথে জাবি গানে হাসান-হোসেনের মৃত্যুতেও আঁচল দিয়ে চোখ মুছতে দেখেছেন লেখক। পাড়ায় লক্ষ্মীপুজোর আসরে রূপবান, সাগরভাষা যাত্রাও হতে দেখেছেন। এসব শিক্ষাই তাঁর পাওয়া। তিনি লিপিবদ্ধ করেছেন মাত্র‌। প্রায়োজনিক কারণে তিন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে নাটক, সাংবাদিকতা এবং গ্রন্থাগার বিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর ডিগ্রী নিয়েছেন। স্বচ্ছন্দে জীবন কাটাতে বিদ্যালয়ের গ্রন্থাগারিকের চাকুরি নিয়েছিলেন। এখন অবসরপ্রাপ্ত। ভালোবেসে যুক্ত আছেন মুক্ত থিয়েটার চর্চায়। লোকশিল্পীদের কাছে থাকতে 'সারা বাংলা লোকশিল্পী সংসদ'-এর কর্মী হয়েছেন। তাঁদের কাছে শিখে চলেছেন।

১টি লেখা

গ্রন্থকারও

নার্গিস খাতুনের প্রতিকৃতি

নার্গিস খাতুন

পেশায় একজন হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক। সল্টলেকের ঐতিহ্যবাহী ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ হোমিওপ্যাথি থেকে বি.এইচ.এম.এস ডিগ্রি সম্পূর্ণ করেছেন। তবে প্রেসক্রিপশন করার পাশাপাশি সাহিত্যচর্চাও তাঁর ভীষণ পছন্দের। বাস্তবে খুব একটা অভিব্যক্তিপ্রবণ নন, কিন্তু লেখালেখির জগৎ সম্পর্কে তাঁর বক্তব্য, “এ একটা খালি ক্যানভাসের মতো, যেখানে শব্দের ছোঁয়ায় নিজের ভাবনা আর দৃষ্টিভঙ্গি ফুটিয়ে তোলা যায়। নতুন কিছু শেখার আগ্রহ কখনও ফুরোয় না, আর সেই বিষয়গুলোকেই লেখার মধ্য দিয়ে তুলে ধরতে চাই।”

৩টি লেখা

সমাপ্তি দিশাের প্রতিকৃতি

সমাপ্তি দিশা

সমাপ্তি দিশা, এক দ্বৈত ভূমিকা পালনকারিণী, রণরঙ্গিণী মায়ের আদুরে মেয়ে। প্রথমে পশ্চিমবঙ্গের নদীয়া জেলার রামকৃষ্ণ সমাজ মিশন এম. বি. বিদ্যাপীঠে ও পরে আল-আমীন মিশনে বিদ্যালয় জীবন অতিবাহিত। তারপর কলকাতার আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শুশ্রুষা বিভাগে স্নাতক। বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের অধীনে কমিউনিটি হেলথ অফিসার হিসেবে কর্মরত। প্রথম স্বরচিত কবিতার আত্মপ্রকাশ স্কুল ম্যাগাজিনে। প্যারালাল, কবি কলম ও হাতেখড়ি পত্রিকার সঙ্গে যুক্ত। কখনো-সখনো মাথার ভিতরের অগোছালো কল্পনাগুলি প্রিফ্রন্টাল কর্টেক্সে এসে প্যারাইটাল লোবের কাব্যরসে জারিত হয়ে লিম্বিক সিস্টেমে আবেগের সঙ্গে যৌথতায় ছন্দোবদ্ধ প্রতিচ্ছবি প্রস্তুত করে যা মসীর স্পর্শে স্বতঃই কবিতা হয়ে যায় অগোচরে।

১টি লেখা